প্রথম রাকাতে সুরা নাস পড়ে ফেললে দ্বিতীয় রাকাতে কি পড়বেন?

নামাযের মধ্যে কেরাতের তারতীব রক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ প্রথম রাকাতে যেই সূরা পড়া হবে, পরের রাকাতে পরবর্তী কোনো সূরা পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে পঠিত সূরার আগের কোনো সূরা পড়া যাবে না।

https://medianewsbd.site/archives/902

যদি কেউ ফরয নামাযে ইচ্ছে করে তারতীবের খেলাফ কেরাত পাঠ করে, তাহলে তা মাকরুহ হবে। আর অনিচছায় পড়লে কোনো গুনাহ হবে না। সুতরাং কেউ ভুলে প্রথম রাকাতে সূরা নাস পড়ে ফেললে পরের রাকাতে সূরা নাসই পুনরায় পড়তে হবে। যদিও একই সূরা পরপর দুই রাকাতে পড়া অনুত্তম কাজ, কিন্তু বাধ্য হওয়ার কারণে এই কাজই করতে হবে। এতে করে সিজদায় সাহু ওয়াজিব হবে না। তবে যদি ধারাবাহিকভাবে নামাযে কুরআন খতম করে, তাহলে প্রথম রাকাতে সুরা নাস পড়ে খতম করলে পরের রাকাতে সূরা বাকারা থেকে কিছু অংশ তেলাওয়াত করতে হবে। এমনটা খতমে তারাবীহতে করা হয়ে থাকে।

নিচে এই মাসআলার দলীল উল্লেখ করা হলো,

الجوهرة النيرة على مختصر القدوري (1/ 58):
“وإذا قرأ في الأولى ﴿قل أعوذ برب الناس﴾ يقرأ في الثانية ﴿قل أعوذ برب الناس﴾ أيضاً”.

في رد المحتار على الدر المختار
ھذا إذا لم یضطر بأن قرأ في الأولی ﴿قل أعوز برب الناس﴾ أعادھا في الثانیة إن لم یختم، نھر۔ لأن التکرار أھون من القراء ة منکوساً۔ بزازیة۔ وأما لو ختم القرآن في رکعة فیأتي قریباً أنہ یقرأ من البقرة

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (1/ 457):

“وكذا كل صلاة أديت مع كراهة التحريم تجب إعادتها.

قالوا: يجب الترتيب في سور القرآن، فلو قرأ منكوساً أثم، لكن لا يلزمه سجود السهو؛ لأن ذلك من واجبات القراءة لا من واجبات الصلاة، كما ذكره في البحر في باب السهو”.

والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী সিরাজুল ইসলাম
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর