বিশ্ববাজারে সোনার দামে হঠাৎ ধস, দেশে ভরি কত?

গত চার মাসের মধ্যে বিশ্ব বাজারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে সোনার দাম। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত, সম্ভাব্য মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের আচরণ বদলে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হিল্লা বিয়েতে কি স’হ বা ‘স করতেই হবে? নাকি না করলেও হবে?

সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩২ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ২.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৬৬.৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ৪.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৬৯.৯০ ডলারে নেমে আসে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে ইরান সংশ্লিষ্ট উত্তেজনা এবং তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করছে। এতে করে আগে যেখানে সুদের হার কমার প্রত্যাশা ছিল, এখন সেখানে উল্টো সুদের হার বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমে গেছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, উচ্চ তারল্যের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে সোনাও চাপের মুখে পড়ছে। শেয়ারবাজারে পতনের ফলে বিনিয়োগকারীরা অন্যান্য সম্পদের মার্জিন কল মেটাতে সোনার বিনিয়োগ কমাচ্ছেন।

অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। রুপার দাম ৩.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দামও ৩.৪ শতাংশ কমে ১,৮৫৭.৬৭ ডলারে নেমেছে।

দেশের বাজারে সোনার দাম (প্রতি ভরি): ২২ ক্যারেট ২,৪৬,৯২৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ২,৩৫,৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২,০২,০২০ টাকা, সনাতন পদ্ধতি ১,৬৪,৫২১ টাকা।

বিশ্ববাজারে দরপতনের প্রভাব দেশের বাজারেও প্রতিফলিত হয়েছে, যদিও দাম এখনো তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স